শেখ মোঃ সোহেল রানা : মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা নদী সংলগ্ন তেউটিয়া ও কনকসার ইউনিয়ন খাল দুটি পুনঃখনন একান্ত জরুরি বলে দাবি এলাকাবাসীর। গত ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে খননকৃত খাল দুইটি বালি, মাটিসহ বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা পড়ে ভরাট হয়ে গেছে।
গতকাল রবিবার বিকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এক সময়ের প্রায় ৫০ ফিট প্রস্থের খাল বর্তমানে মাত্র পাঁচ থেকে সাত ফিটে পরিণত হয়েছে এবং কিছু অংশে খালটি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। আবার কোথাও ভরাট দৃশ্য দেখা যায়। খালে নেই পানি প্রবাহ। দেখে মনে মরা খাল। তবে একসময়ে এসব খালে নৌকা চলাচল ও বিকালে বড়শি দিয়ে মাছ শিকারের দৃশ্য দেখা যেত এলাকার যুবকদের। সাপ্তাহিক হাটে মাল বোঝাই ইঞ্জিলচালিত নৌকা চলতো খালে। এখন আর সে দৃশ্য নেই। খালগুলো দখল হয়ে গেছে। তেউটিয়া ইউনিয়ন খালটি পদ্মা নদী হয়ে বেজগাঁও হাটভোগদিয়া এবং কনকসার ইউনিয়ন খালটি কনকসার বাজার হয়ে নাগের হাট পর্যন্ত। এসব খালে তেমন পানি নেই, খাল শুকিয়ে গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, খাল পুনঃখনন হয় কোন রকম। ৬ মাস না যেতে আবার ভরাট হয়ে যায়। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাবিহীন খাল খনন কোন উপকারে আসে না। গত দুই বছর আগে খাল পুনঃখনন করা হয়েছে। এখন ভরাট হয়ে গেছে। আবার অনেকেই খাল দখল করে ফেলেছে।
তারা আরো বলেন, খালে যদি কম বেশি পানি সবসময় থাকে তাহলে অনেক মানুষের উপকারে আসবে। আমাদের এলাকাগুলোতে বর্তমানে খাল রয়েছে খালি, পানি প্রবাহ নেই। মরা খাল বলা যায়। বিশেষ করে পদ্মা নদী সংলগ্ন খাল পুনঃখনন একান্ত জরুরি।
লৌহজং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ বাসিত সত্তার পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকার খাল পুনঃখনন বিষয়ে জানান, এমন কোন সরকারি নির্দেশনা আমরা পাইনি। তবে পদ্মা নদীর তীরে খাল পুনঃখনন জরুরি দরকার।
লৌহজং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা ববি মিতুকে পদ্মা নদীর তীরে খাল পুনঃখনন বিষয়ে অবগত করা হলে তিনি জানান, আমরা বিভিন্নভাবে খোঁজ খবর নিচ্ছি এবং সরেজমিনে গিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করবো।
লৌহজংয়ে পদ্মা নদী সংলগ্ন খাল পুনঃখনন জরুরি
১০
পূর্ববর্তী পোস্ট