বৃহস্পতিবার ০৫, নভেম্বর ২০২৬

বৃহস্পতিবার ০৫, নভেম্বর ২০২৬ -- : -- --

গজারিয়ার ফুলদী নদীর সেতুটির প্রকল্প গ্রহণ, প্রণয়ন ও অনুমোদন-সংক্রান্ত কার্যক্রম চলতি বছরের মধ্যেই শুরু হবে : মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৫ পিএম

29

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি মুন্সীগঞ্জ জেলা সফর করেন। সফরকালে তিনি ‘পঞ্চবটি হতে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা রাস্তা নির্মাণ’ প্রকল্পের মুন্সীগঞ্জ অংশের চলমান কাজ এবং গজারিয়া উপজেলার ফুলদী নদীর ওপর নির্মিতব্য সেতুর স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।বৃহস্পতিবার বিকালে তিনি পরিদর্শনে আসেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য  মোঃ কামরুজ্জামান, মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী , পুলিশ সুপার  মোঃ মেনহাজুল আলম পিপিএম, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

 

‘পঞ্চবটি হতে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা রাস্তা নির্মাণ’ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী  শেখ রবিউল আলম, এমপি জানান, প্রকল্পটি চলতি বছরের ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পের অবশিষ্ট প্রস্তুতিমূলক ও অসমাপ্ত কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জসহ আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমানো এবং যোগাযোগব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ ও কার্যকর করতে এ এলিভেটেড ওয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের নিরাপদ, সহজ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াতের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে।

পরবর্তীতে মন্ত্রী গজারিয়া উপজেলার ফুলদী নদীর ওপর নির্মিতব্য সেতুর স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি জানান, সেতুটির প্রকল্প গ্রহণ, প্রণয়ন ও অনুমোদন-সংক্রান্ত কার্যক্রম চলতি বছরের মধ্যেই শুরু হবে। সেতুটি বাস্তবায়িত হলে গজারিয়া উপজেলার সংশ্লিষ্ট এলাকার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, যাতায়াত সহজীকরণ এবং স্থানীয় আর্থসামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সড়ক নিরাপত্তা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে উন্নত বিশ্বের আদলে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে বিশ্লেষণ এবং কার্যকর সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে শারীরিক ও চোখের পরীক্ষা এবং ড্রপ টেস্টসহ বিভিন্ন পর্যায়ক্রমিক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি যানবাহনের আয়ুষ্কাল ও ফিটনেস যাচাইয়ের ক্ষেত্রেও কঠোর নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে। নিরাপদ সড়ক আইন বাস্তবায়ন এবং সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Link copied!