প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
33
রবিবার ১৩, সেপ্টেম্বর ২০২৬ -- : -- --
সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করেছেন মুন্সীগঞ্জ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তিনি প্যারোলে মুক্ত থাকবেন। এসময় তিনি প্রয়াত স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ দেখতে এবং দাফন কার্যক্রমে উপস্থিত থাকতে পারবেন।
গতকাল বুধবার বিষয়টি জানিয়েছেন ডা. দীপু মনির আইনজীবী অ্যাডভোকেট গাজী ফয়সাল ইসলাম।
জানা গেছে, বাবার মরদেহ ঢাকায় রেখে গতকাল বুধবার সকাল থেকেই মায়ের মুক্তির জন্য মুন্সীগঞ্জে বিভিন্ন দপ্তরে দৌড়াদৌড়ি করেন দীপাবলি। দুপুর ১২টার দিকে তিনি মুন্সীগঞ্জ কারাগারে মায়ের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর দুপুর পৌনে ২টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রেজাউল করিমের কাছে চারদিনের জন্য মায়ের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জমা দেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১২ ঘণ্টার প্যারোল মঞ্জুর করে প্রশাসন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীপু মনি প্যারোলে মুক্তি পেয়ে ঢাকায় পৌঁছানোর পর তার স্বামীর মরদেহের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে।
আইনজীবী ফয়সাল ইসলাম বলেন, আমরা চারদিনের প্যারোলে মুক্তি চেয়ে আবেদন করেছিলাম। জেলা প্রশাসক মহোদয় আমাদের ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তির আবেদন মঞ্জুর করেছেন। ২০ আগস্ট সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই মুক্তি কার্যকর থাকবে।
তিনি বলেন, ডা. দীপু মনির কারাবরণের দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। এর আগে তার স্বামী দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। স্বামীর সঙ্গে কারাগারের বাইরে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে একাধিকবার আবেদন করা হলেও তা পাওয়া যায়নি। স্বামীর মৃত্যুর পর এবার প্যারোলে মুক্তির সুযোগ পেলেন তিনি।
ফয়সাল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় কারাগার থেকে পুলিশ পাহারায় ডা. দীপু মনিকে নিয়ে যাওয়া হবে। প্যারোলের পুরো সময় তিনি পুলিশ পাহারায় থাকবেন। পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রয়াত ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ সকালে ঢাকার কলাবাগানে তার নিজ বাসভবনে নেওয়া হবে। সেখানে ডা. দীপু মনি স্বামীর মরদেহ দেখবেন। এরপর মরদেহ নেওয়া হবে গুলশান আজাদ মসজিদে। বাদ জোহর গুলশান আজাদ মসজিদে ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা ও দোয়া শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।